ডেস্ক রিপোর্ট | শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬ | প্রিন্ট | 7 বার পঠিত

ফাইল ছবি
ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযানে হতাহতের সংখ্যা বাড়ছেই। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা বিভাগের (পেন্টাগন) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ১৮ মার্কিন সেনা নিহত এবং ৭৫৭ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার পেন্টাগনের যুদ্ধ হতাহতসংক্রান্ত তথ্যভান্ডার হালনাগাদ করা হয়। এতে দেখা যায়, গত কয়েক দিনে নতুন করে ৫০ জনের বেশি মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন।
ডিফেন্স ক্যাজুয়ালটি অ্যানালিসিস সিস্টেমের তথ্য অনুযায়ী, ‘ওভারসিজ অপারেশন্স’ ও ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’র তথ্য একত্রে হিসাব করলে ইরান যুদ্ধের শুরু থেকে মার্কিন বাহিনীর হতাহতের এই চিত্র পাওয়া যায়।
সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, তেহরানের পাল্টা হামলা এবং মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও কৌশলগত অবস্থানগুলোতে ধারাবাহিক হামলার কারণে হতাহতের সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে। এতে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক চাপও বাড়তে পারে।
গত মাসে পেন্টাগনের কেন্দ্রীয় তথ্যভান্ডারে ‘ওভারসিজ অপারেশন্স’ নামে নতুন একটি বিভাগ যুক্ত করা হয়। সেখানে ৭ জুলাই থেকে নিহত ও আহত মার্কিন সেনাদের তথ্য নথিভুক্ত করা হচ্ছে। তবে এসব সেনা ঠিক কোন সংঘাত বা অঞ্চলে হামলার শিকার হয়েছেন, সে বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি পেন্টাগন।
৭ জুলাইয়ের তারিখটি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ। ওই দিনই প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ওয়ার পাওয়ার্স অ্যাক্টের আওতায় মার্কিন কংগ্রেসকে ইরানকে ঘিরে নতুন পর্যায়ের সংঘাত শুরুর বিষয়টি অবহিত করেছিল।
এর আগে পেন্টাগনের হতাহতসংক্রান্ত ড্যাশবোর্ড নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল। ইরানি হামলা অব্যাহত থাকার মধ্যেই একপর্যায়ে নিহতের সংখ্যা কমে যায়। চার সেনার মৃত্যু ও বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার তথ্যও তালিকা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরে ব্যাপক সমালোচনার মুখে সেগুলো আবার যুক্ত করা হয়।
পেন্টাগন তখন দাবি করেছিল, সাময়িক ডেটা বিপর্যয় বা কারিগরি ত্রুটির কারণে পরিসংখ্যানে এই অসঙ্গতি দেখা দিয়েছিল।
আহত সেনাদের তথ্য প্রকাশে পেন্টাগনের ধীরগতির নীতিও নতুন নয়। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় নিরাপত্তা ও কৌশলগত গোপনীয়তার কারণ দেখিয়ে আহত সেনাদের প্রকৃত তথ্য প্রকাশে অনীহা দেখিয়েছে মার্কিন সামরিক প্রশাসন।
এদিকে বুধবার ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে বর্তমান পরিস্থিতি ‘চমৎকার’ এবং নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তবে তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা স্থবির হয়ে পড়া এবং হরমুজ প্রণালিতে যুদ্ধজাহাজ ও তেলবাহী জাহাজ ঘিরে উত্তেজনা অব্যাহত থাকায় বাস্তব পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
সূত্র: সিএনএন
Posted ৬:২৬ এএম | শুক্রবার, ২১ অগাস্ট ২০২৬
ইউএসএ থেকে প্রকাশিত অনলাইন নিউজ পোর্টাল | Mr. Dulal
এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত
এ বিভাগের আরও খবর
এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, অডিও, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি।